জুমার দিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং কেন?
জুমার দিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং কেন?

জুমার দিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ কি কি এবং মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিন কেন?

আসসালামুআলাইকুম। বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন সুস্থ আছেন। আজকে আপনাদের সামনে নতুন ট্রিক নিয়ে হাজির হলাম। এটা হলো জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ গুলো কি কি এবং আমাদের মুসলমানদের জন্য এতো গুরুত্বপূর্ণ দিন কেন? তার সবগুলো বিষয়বস্তুর আজকে টপিকের উপর আলোচনা করা হবে। 

আপনারা অনেকেই এমন পোস্টের টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন। যে আজকে কি হতে চলেছে আর আমি কোন বিষয় নিয়ে লিখতে চলেছি। আজ আমি আপনাদের সামনে জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কাজের কথা বলব এবং সেইসাথে আলোচনা করবো। আশা করি সবাই পড়বেন এবং শেয়ার দেবেন। 

জুমার দিন এর গুরুত্ব

আমরা অনেকেই জানি যে জুমার দিনের মধ্যে সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে একদিন অর্থাৎ শুক্রবার জুমার দিন বলা হয়।  এই দিনে আমরা মুসলমানরা সবাই মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সহিত নামাজ পড়ি তাছাড়াও সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে ছয় দিনে আমরা মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ি কিন্তু জুমআর দিনে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি। 

জুমার দিন এর গুরুত্বপূর্ণ কাজ 

জুমার দিনে অন্যান্য দিনের তুলনায় সেদিনকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়। জুমার দিনের মধ্যে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হল এই দিনে রোজা রাখা।  আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স) প্রতি শুক্রবার তিনি রোজা রাখতেন।  কোন সাহাবী উনাকে জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন এটি একটি রহমত ও বরকতের দিন।  এবং তিনি আরো বলেন যে এই দিনে জান্নাতের দরজা খুলে রাখা হয়। 

জুমার দিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং  কেন?
জুমার দিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং কেন?

সেজন্য প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স) প্রতি শুক্রবার রোজা রাখতেন। তিনি শুধু শুক্রবার রোজা রাখতেন না সেই সাথে তিনি সোমবার হয়েও রোজা রাখতেন।  সোমবারে রোজা রাখতেন কারণ সোমবার ছিল আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স) এর জন্মদিন। তাছাড়াও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স)  রোজা রাখার অনেক হাদিস পাওয়া যায়। 

আরো একটি কথা জানা যায় যে ,  ওনার যেদিন খাবার খেতে ইচ্ছে করতো না তিনি ওই দিনে রোজা রাখতেন। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স) তিনি কখনোই শুক্রবারে রোজা রাখা বন্ধ করতেন না সেইসাথে তিনি আরো বলেছেন বেজুবান টিন বাচ্চাদেরকে মসজিদে নিয়ে যেতে তিনি আদেশ করেছেন। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স) তিনি প্রতি শুক্রবারে তার স্ত্রী ও দুই নাতি হাসান এবং হোসাইন দুজনকে নিয়ে তিনি জুমার নামাজে যেতেন এবং একসাথে সালাত আদায় করতেন। 

মুসলমানদের জন্য জুমার দিন গুরুত্বপূর্ণ দিন কেন?

শুক্রবারে জুমার নামাজ আদায় করা অর্থাৎ জামায়াতের সহিত ও সকলের সাথে নামাজ আদায় করা এতে অনেক সওয়াব এবং নেকি পাওয়া যায়।  সেইসাথে এই দিনে আল্লাহতালা জান্নাতের দরজা খোলা রেখে দেন এবং যারা সহি ভাবে আলাদা করে আল্লাহ তাদের কথা শুনতে পান।

জুমার দিন নামাজের গুরুত্বপূর্ণ কাজ

জুমার নামাজের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল এই দিনে দ্রুত মসজিদে যাওয়া এবং খুতবা সোনা। কেননা ঈমানের খুদা শুনলে অনেক নেকি পাওয়া যায় এবং এতে অনেক বড় কত পাওয়া যায়।  জুমার নামাজে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সমূহ সকলের সাথে একসাথে দুই রাকাত ফরজ সালাত আদায় করে নেওয়া।  তার পাশাপাশি আরও 8 রাকাত সুন্নত রয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে আদায় করে নেওয়া। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স) তিনি কখনোই কোন সালাত পদ শূন্য কখনোই ছেড়ে দিতেন না। তিনি ৮ রাকাতই পড়তেন। 

তার পাশাপাশি আমাদের মধ্যে আরো অনেক ধরনের নেক আমল করা যায়।  এজন্য জুমার নামাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন এবং ইসলামের মেয়ের মধ্যে এদিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই দিনে সকল মুসলমানদের সাথে জামায়াতের সহিত নামাজ আদায় করে কিংবা সালাত আদায় করবে।  এবং এই দিনের মধ্যে অনেকের মধ্যে জাতিতে পরিণত হয়। 

আমাদের বহু বছর আগের মানুষের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে আগের মানুষেরা হাজারের উপর বেঁচে থাকব। তাছাড়া তাতে কী বোঝা যাচ্ছে উঠুক এবং তারা সারাক্ষণ ইবাদত করত।  কিন্তু এখনকার মানুষের হায়াত খুবই কম এবং তার অল্প বয়স বাঁচে।  এবং শেষে ইবাদত করার সময় কম থাকে। তাই আমাদের উচিত সঠিক ভাবে সালাত আদায় করা। 

www.Taja1.com